রবিবার, ২৪ মে, ২০২০
কোরআন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিত
সোমবার, ১১ মে, ২০২০
প্রাথমিক উদ্ভিদ জগত
যে সব জীবের দেহ মূল, কান্ড, পাতায় বিভক্ত
এবং যারা সূর্যের আলো, বাতাসের কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
একস্থান হতে আরেক স্থানে চলাচল করতে পারে না, তাকে উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ কলা গাছ।
কান্ডের উপর ভিত্তি করে থিওফ্রাস্টাস উদ্ভিদকে চার ভাগে ভাগ করেছেন।
যেমনঃ
বীরুৎ, গুল্ম, উপগুল্ম, বৃক্ষ
বীরুৎ, গুল্ম, উপগুল্ম, বৃক্ষ
বীরুৎ উদ্ভিদঃ
নরম কান্ডবিশিষ্ট উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে।
যেমনঃ
ঘাস, ধান, গম ইত্যাদি।
গুল্ম উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদ শক্ত শাখা প্রশাখা বিস্তার করে তাদেরকে গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
জবা, রঙ্গন ইত্যাদি।
উপগুল্ম উদ্ভিদঃ
গুল্মের চেয়ে ছোট কাষ্ঠল উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলে।
যেমনঃ
কুল্কাসুন্দা
বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদঃ
বৃহৎ কাষ্ঠল বিশিষ্ট উদ্ভিদকে বৃক্ষ বলে।
বেন্থাম ও হুকার উদ্ভিদজগতকে সাধারণত দুইভাগ ভাগ করেছেন ।
যথাঃ
সপুষ্পক উদ্ভিদ এবং অপুষ্পক উদ্ভিদ।
সপুষ্পক উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের ফুল, ফল ও বীজ হয় এবং বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে, তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
সপুষ্পক উদ্ভিদকে দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
নগ্নবীজী উদ্ভিদ এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদ
আবৃতবীজী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের ফুল, ফল, বীজ হয় এবং বীজগুলো ফলের মধ্যে আবৃত থাকে, তাদেরকে আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ আম, জাম ইত্যাদি।
আবৃতবীজী উদ্ভিদকে দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
একবীজপত্রী উদ্ভিদ এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।
একবীজপত্রী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং পাতায় সমান্তরাল শিরাবিন্যাস, দেহে অস্থানিক মূলতন্ত্র থাকে, তাকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ নারিকেল, সুপারি, কলা, কচু ইত্যাদি।
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে এবং পাতায় জালিকা শিরাবিন্যাস, প্রধান মূলতন্ত্র থাকে, তাকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।
নগ্নবীজী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের ফুল, ফল, বীজ হয় এবং বীজগুলো ফলের মধ্যে আবৃত থাকে না, তাদেরকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ সাইকাস, পাইনাস, নিটাম ইত্যাদি।
অপুষ্পক উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের ফুল, ফল, বীজ হয় না, এরা স্পোরের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে, তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ শৈবাল, ছত্রাক।
অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
সমাঙ্গবর্গীয়, মসবর্গীয়, ফার্ণবর্গীয়
সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদকে মূল, কান্ড, পাতায় বিভক্ত করা যায় না, তাদেরকে সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ ছত্রাক, শৈবাল ইত্যাদি।
মসবর্গীয় উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদকে কান্ড, পাতায় বিভক্ত করা যায়, কিন্তু মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে, তাদেরকে মসবর্গীয় উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ রিকসিয়া, মার্কেনসিয়া ইত্যাদি।
ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদকে মূল, কান্ড, পাতায় বিভক্ত করা যায়, তাদেরকে ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ টেরিস, ড্রায়োপ্টেরিস ইত্যাদি।
বেঁচে থাকার উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
একবর্ষজীবী, দ্বিবর্ষজীবী ও বহুবর্ষজীবী
একবর্ষজীবী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের জীবনকাল এক বছর তাদেরকে একবর্ষজবী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
ধান, গম ইত্যাদি।
দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের জীবনকাল দুই বছর, তাদেরকে দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি।
বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদের জীবনকাল অনেক বছর তাদেরকে বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
আদা, হলুদ ইত্যাদি।
পুষ্টির উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
স্বভোজী, পরভোজী, মিথোজীবী
স্বভোজী, পরভোজী, মিথোজীবী
স্বভোজী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদ নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে তাদেরকে স্বভোজী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
আম, জাম
পরভোজী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদ নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে না, অন্যের উপর নির্ভর করে তাদেরকে পরভোজী উদ্ভিদ বলে।
পরভোজী উদ্ভিদ আবার তিন প্রকার।
যেমনঃ
পরজীবী, মৃতজীবী, পতঙ্গজীবী
পরজীবী, মৃতজীবী, পতঙ্গজীবী
পরজীবী উদ্ভিদঃ
যে সব উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদের উপর আশ্রয় গ্রহন করে এবং আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের ক্ষতিসাধন করে তাদেরকে পরজীবী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
স্বর্ণলতা
মৃতজীবী উদ্ভিদঃ
যারা পঁচা বা মৃত বস্তুর উপর জন্মায় এবং সেখান থেকে খাদ্য গ্রহন করে বেঁচে থাকে তাদেরকে মৃতজীবী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
ব্যাঙের ছাতা, মিউকর।
পতঙ্গজীবীঃ
যারা ছোট ছোট পতঙ্গ ভক্ষন করে বেঁচে থাকে তাদেরকে পতঙ্গজীবী উদ্ভিদ বলে।
যেমনঃ
সূর্যশিশির
অনন্যজীবী/মিথোজীবী/সিমবায়োটিক উদ্ভিদঃ
শৈবাল ও ছত্রাকের সমন্বয়ে এক ধরনের জীবের সৃষ্টি হয় তাদেরকে লাইকেন বলে।
সমগ্র উদ্ভিদকুলকে একত্র Flora বলে।
ছোলা, ধইঞ্চা ইত্যাদি বায়ুতে নাইট্রোহতজেনের পরিমাণ বাড়ায়।
কাষ্ঠল কান্ডবিশিষ্ট হার্বকে উডি হার্ব বলে।
সূর্যালোকেও জন্মাতে পারে বলে Pteris কে সানফার্ণ বলে।
নগ্নবীজী উদ্ভিদকে আদিম সবীজ উদ্ভিদ বলে।
সম্পাদনাঃ
মোঃ মতিউর রহমান।
বিএসসি, বোটানী
এমএসপি, বোটানী
দিনাজপুর সরকারি কলেজ।
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০
রোজা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
সূর্য ওঠার আগে থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকাকে রোজা বলে।
রোজা শব্দের আভিধানিক অর্থ জ্বালিয়ে দেয়া।
কারন মানুষের গুনাহ গুলোকে জ্বালিয়ে বান্দাকে মুত্তাকী করে তোলে। রোজা ইসলামের তৃতীয় রোকন। প্রত্যেক সাবালক নারী পুরুষদের উপর রোজা ফরজ। কাফ্ফারার রোজা ও মানতের রোজা ওয়াজিব। আশুরার দিনের রোজা সুন্নাত, প্রত্যেক চাঁদের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখের রোজা, জুমুআর দিনের, ৯ই জিলহজের এবং শাওয়ালের ৬টি রোজা মুস্তাহাব।
প্রকাশ থাকে যে, বছরে যে ৫দিন রোজা রাখা হারামঃ
ঈদুল ফিতরের দিন, ঈদুল আযহার দিন এবং তার পরের তিন দিন।
রোজার নিয়ত করার নিয়মঃ
রমজানের রোজা, নিদিষ্ট মানতের রোজা, নফল রোজা ইত্যাদিতে সকাল হতে দুপুরের আগে নিয়ত করতে হবে। রমজানের কাযা, অনিদিষ্ট মানত ভ কাফ্ফারার রোজার নিয়ত ফজরের আগে করতে হবে। অন্তরে নিয়ত করতে হবে। মুখে বলা মুস্তাহাব বা ভাল।
রোজার নিয়তঃ
নাওআইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রামাদ্বানাল মুবারাকি ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহ ফাতাক্বাব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলীম।ইফতারের দোয়াঃ
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কলতু আ'লা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।যে সব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়ঃ
@ ইচ্ছাকৃত কোনকিছু পান করলে
@ ইচ্ছাকৃত কোনকিছু আহার করলে
@ ইচ্ছাকৃত স্বামী স্ত্রী সহবাস করলে
@ ইচ্ছাকৃত ঔষধ ও ধূমপান করলে
@ স্বেচ্ছায় মুখভর্তি বমি করলে
@ গলায় বৃষ্টির পানি প্রবেশ করলে
@ স্ত্রীকে চুম্বন বা স্পর্শে বীর্যপাত হলে
@ মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের ফলে বীর্যপাত হলে
(কবিরা গুনাহের যে তালিকা মহানবী (সঃ) দিয়েছেন, তার মধ্যে হস্তমৈথুন একটি জঘন্য কবিরা গুনাহ।)
@ সিঙ্গা লাগালে
(সিঙ্গা হলো একধরনের কাপ যা শরীরে লাগানো হয়। যার ফলে প্রচুর পচা রক্ত বের হয়ে ব্যথা, জ্বালা পোড়া কমায়। শরীর থেকে এক কাপ পরিমাণ রক্ত পড়লে রোজা ভেঙ্গে যায়।)
@ মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের ফলে বীর্যপাত হলে
(কবিরা গুনাহের যে তালিকা মহানবী (সঃ) দিয়েছেন, তার মধ্যে হস্তমৈথুন একটি জঘন্য কবিরা গুনাহ।)
@ সিঙ্গা লাগালে
(সিঙ্গা হলো একধরনের কাপ যা শরীরে লাগানো হয়। যার ফলে প্রচুর পচা রক্ত বের হয়ে ব্যথা, জ্বালা পোড়া কমায়। শরীর থেকে এক কাপ পরিমাণ রক্ত পড়লে রোজা ভেঙ্গে যায়।)
@ অনিচ্ছা সত্ত্বেও কুলির পানি গলার ভেতরে গেলে
@ কাঁকর জাতীয় ঘৃণিত বস্তু গিলে ফেললে
@ ভুলবশত আহার করে রোজা ভেঙ্গে গেছে মনে করে পুণরায় পেট পুরে খেলে
@ জবরদস্তি কেউ কিছু খাওয়ালে
@ নাক কানে এমন ঔষধ দেওয়া যা পেটে বা মাথায় পৌছে যায়
@ রাত মনে করে সকালে সেহরী করলে
@ সন্ধ্যা হওয়ার আগে ইফতার করলে
@ ছোলা পরিমাণ খাবার গিলে ফেললে
যে সব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায় নাঃ
@ বমি উঠে নেমে গেলে
@ মনের ভুলে পানাহার করলে
@ সুরমা ব্যবহার করলে
@ খুশবু, আতর ব্যবহার করলে
@ থু থু গিলে ফেললে
@ অনিচ্ছাকৃত ধুলা, ধোঁয়া গলায় ঢুকলে
@ হঠাৎ কানে পানি গেলে
@ স্বামীর ভয়ে তরকারীর স্বাদ জিহ্বায় নিলে
রোজার মাকরুসমূহঃ
- @ স্ত্রীকে চুম্বন, স্পর্শ ও আলিঙ্গন করলে
- @ কোন কারণ ছাড়া চর্বন ও স্বাদ গ্রহন করলে
- @ ঠান্ডা গ্রহণের জন্য হাত, মুখ ধোয়া ও কুলি করলে
- @ গামছা ভিজিয়ে মাথায় দিলে
রোজার কাফ্ফারাঃ
রোজার কাফ্ফারার বিধান হলো একটি রোজার বদলে ধারাবাহিক ২ মাস রোজা রাখতে হবে। তা আদায় করতে অক্ষম হলে ৬০ জন ফকিরকে ফিতরা পরিমাণ দান করতে হবে। অথবা ৬০ জন মিসকিনকে পেট ভরে খাওয়ালে রোজার হক আদায় হয়ে যাবে।
যে অবস্থায় রোজা কাযা করা যায় -
- @ পীড়িত ব্যক্তির রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলে
- @ ঋতুবর্তী নারী
- @ মুসাফির
- @ পাগল
- @ গর্ভবতী ও স্তন্যদায়িনী জননী
রোজার ফজিলতঃ
প্রথম রোজায়ঃ
রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় রোজায়ঃ
রোজাদারের মা বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়।
তৃতীয় রোজাঃ
একজন ফেরেশতা আবারো রোজাদারের ক্ষমার ঘোষণা দেন।
চতুর্থ রোজাঃ
আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ণ সমান সওয়াব প্রদান
পঞ্চম রোজাঃ
মক্কা নগরের মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সওয়াব প্রদান
ষষ্ঠ রোজাঃ
ফেরেশতাদের সাথে ৭ম আকাশে বাইতুল মামুর তাওয়াফের সওয়াব প্রদান
সপ্তম রোজাঃ
ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা (আঃ) এর পক্ষ হয়ে যুদ্ধে সহযোগিতার সওয়াব প্রদান
অষ্টম রোজাঃ
ইব্রাহিম (আঃ) এর মতো রহমত প্রাপ্তি
নবম রোজাঃ
নবী রাসূলগনের সাথে দাঁড়িয়ে ইবাদতের সমান সওয়াব প্রাপ্তি
দশম রোজাঃ
উভয় জাহানের কল্যাণ প্রাপ্তি
১১তম রোজাঃ
মৃত্যুতে নবজাতকের মত নিষ্পাপ নিশ্চিত করা
১২তম রোজাঃ
হাশরের ময়দানে চেহারা মুবারাক পূর্ণিমা চাঁদের মত উজ্জ্বল করা
১৩তম রোজাঃ
হাশরের ময়দানে সকল প্রকার বিপদ আপদ হতে নিরাপত্তা
১৪তম রোজাঃ
হাশরের ময়দানে হিসাব নিকাশ সহজীকরণ করা
১৫তম রোজাঃ
সমস্ত ফেরেশতাগণের দোয়া প্রাপ্তি
১৬তম রোজাঃ
আল্লাহ কর্তৃক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি
১৭তম রোজাঃ
একদিনের জন্য নবীগণের সমান সওয়াব প্রাপ্তি
১৮তম রোজাঃ
রোজাদার ও তার মা বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ
১৯তম রোজাঃ
পৃথিবীর সকল পাথর, কংকর, টিলা, টংকর এর দোয়া
২০তম রোজাঃ
রোজাদারকে আল্লাহর পথে জীবনদানকারী শহীদদের সমান সওয়াব দান
২১তম রোজাঃ
রোজাদারদের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জ্বল প্রাসাদ নির্মাণের সংবাদ
২২তম রোজাঃ
হাশরের ময়দানে সকল চিন্তা থেকে মুক্তি
২৩তম রোজাঃ
রোজাদারদের জন্য একটি শহর নির্মাণের সুসংবাদ
২৪তম রোজাঃ
যে কোন ২৪টি দোয়া কবুল হওয়ার সুসংবাদ
২৫তম রোজাঃ
কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার নিশ্চয়তা
২৬তম রোজাঃ
রোজাদারকে ৪০ বছর ইবাদতের সমান সওয়াব প্রাপ্তি
২৭তম রোজাঃ
রোজাদারকে চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে দেওয়ার নিশ্চয়তা
২৮তম রোজাঃ
জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুণ করে দেওয়ার সুসংবাদ
২৯তম রোজাঃ
রোজাদারকে ১০০০ কবুল হজের সওয়াব দান
৩০তম রোজাঃ
পুরো রমজান মাসের ফজিলত দ্বিগুন করে দেওয়ার সংবাদ
১৬তম রোজাঃ
আল্লাহ কর্তৃক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি
১৭তম রোজাঃ
একদিনের জন্য নবীগণের সমান সওয়াব প্রাপ্তি
১৮তম রোজাঃ
রোজাদার ও তার মা বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ
১৯তম রোজাঃ
পৃথিবীর সকল পাথর, কংকর, টিলা, টংকর এর দোয়া
২০তম রোজাঃ
রোজাদারকে আল্লাহর পথে জীবনদানকারী শহীদদের সমান সওয়াব দান
২১তম রোজাঃ
রোজাদারদের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জ্বল প্রাসাদ নির্মাণের সংবাদ
২২তম রোজাঃ
হাশরের ময়দানে সকল চিন্তা থেকে মুক্তি
২৩তম রোজাঃ
রোজাদারদের জন্য একটি শহর নির্মাণের সুসংবাদ
২৪তম রোজাঃ
যে কোন ২৪টি দোয়া কবুল হওয়ার সুসংবাদ
২৫তম রোজাঃ
কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার নিশ্চয়তা
২৬তম রোজাঃ
রোজাদারকে ৪০ বছর ইবাদতের সমান সওয়াব প্রাপ্তি
২৭তম রোজাঃ
রোজাদারকে চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে দেওয়ার নিশ্চয়তা
২৮তম রোজাঃ
জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুণ করে দেওয়ার সুসংবাদ
২৯তম রোজাঃ
রোজাদারকে ১০০০ কবুল হজের সওয়াব দান
৩০তম রোজাঃ
পুরো রমজান মাসের ফজিলত দ্বিগুন করে দেওয়ার সংবাদ
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০
কিছু ঔষুধ সেবনের নিয়মাবলীঃ
তাই নিয়ম মেনে ঔষধ সেবন করা উচিত।
চলুন কিছু ঔষধ সেবনের নিয়ম জেনে রাখি ---
১। ব্যথানাশক ঔষধঃ
যেমনঃ ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম, ন্যাপ্রোক্সেন, আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন ও কিটোরোলাক ইত্যাদি ঔষধ ভরা পেটে সেবন করা উচিত। অন্যথায় অন্ত্র ফুটা হয়ে যেতে পারে।
২। প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরঃ
যেমনঃ ওমেপ্রাজোল, প্যান্টোপ্রাজোল, ইসোমিপ্রাজোল ইত্যাদি ঔষধ খাবার আধা ঘন্টা আগে সেবন করা উচিত।
৩। ঠান্ডা - সর্দি বা এলার্জির জন্য এন্টিহিস্টামিনঃ
যেমনঃ লোরাটাডিন, সেটিরিজিন, ফেক্সোফেনাডিন ইত্যাদি ঔষধ খালি পেটে সেবন করলে কার্যকারিতা বেশি হয়।
৪। অ্যান্টাসিড ঔষধঃ
অ্যান্টাসিড ঔষধ খাবারের পর না খেয়ে ৩০মিনিট পর সেবন করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
৫। সিপ্রোফ্লোক্সাসিন ঔষধঃ
সিপ্রোফ্লোক্সাসিন ঔষধ খাবার গ্রহণের ২ ঘন্টা পর পর্যাপ্ত পানি দিয়ে সেবন করা উচিত। সিপ্রোফ্লোক্সাসিন ঔষধ গ্রহণের ২ ঘন্টার মধ্যে দুগ্ধজাত খাবার বা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন বা জিঙ্কযুক্ত খাবার গ্রহন করা উচিত নয়।
৬। ভিটামিনঃ
ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট, আয়রন ট্যাবলেট ও মাল্টিভিটামিন খাবার গ্রহণের কয়েক ঘন্টা আগে বা পরে খাওয়া যেতে পারে।
৭। পেনিসিলিন সেবনঃ
পেনিসিলিন খালি পেটে সেবন করাই ভাল।
৮। কোট্রিম সেবনঃ
কোট্রিম সেবন করলে বেশি পরিমাণ পানি পান করতে হবে। না হলে কিডনিতে পাথর তৈরি করি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
৯। একসাথে অনেক ঔষুধ সেবনঃ
একসাথে অনেক ঔষধ সেবন করলে ঔষধের প্রতিক্রিয়ায় কোনো কোনো ঔষধের কার্যকারিতা কমতে পারে আবার কোনো কোনো ঔষধের কার্যকারিতা বাড়তে পারে। দুটোই বেশ ক্ষতিকর। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ঔষধ সেবন করতে হবে।১০। হাঁপানি রোগীঃ
হাঁপানি আছে এমন ব্যক্তির ব্যথানাশক ঔষধ,
বেটা - ব্লকারঃ প্রোপানোলল, এটেনোলল সেবন করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
১১। গর্ভাবস্থায় ঔষধ সেবনঃ
গর্ভাবস্থায় ঔষধ সেবন করলে গর্ভধারণ ও ভ্রুনের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
যেমনঃ থ্যালিডমাইট, রেটিনয়েড, ক্যান্সারের ঔষধ সেবন করলে গর্ভের শিশুর ক্ষতি হতে পারে।
গর্ভকালীন টেট্রাসাইক্লিন ঔষধ শিশুর দাঁত ও হাড় গঠনে বাধা প্রদান করে।
গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঔষধ শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়া করে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই ইনসুলিন নেওয়া উচিত।
ধন্যবাদান্তে -
ডাঃ কুতুবউদ্দিন মল্লিক স্যার
সহযোগী অধ্যাপক, খুলনা মেডিকেল কলেজ।।
(পোষ্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।
লাইক দিবেন ও কমেন্ট করবেন।)
(পোষ্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।
লাইক দিবেন ও কমেন্ট করবেন।)
রবিবার, ৩ মে, ২০২০
বৃষ্টির নৃত্য - মোঃ মতিউর রহমান।
নাচিতেছে বৃষ্টি, যতদূর দৃষ্টি
নাচিছে স্থলে, নাচিছে জলে
দিঘীর জলে, পাতার আঁচলে
ফুটিতেছে খই নাচিতেছে ঐ
তা তা থইথই তা তা থইথই।
নাচিছে স্থলে, নাচিছে জলে
দিঘীর জলে, পাতার আঁচলে
ফুটিতেছে খই নাচিতেছে ঐ
তা তা থইথই তা তা থইথই।
পাথার, পথে, নাচে জলস্রোতে
কেশকালো মেঘে, উড়িছে বেগে
বাতাসের ওড়না নাচিতেছে ঐ
তা তা থইথই তা তা থইথই।
বর্ষার কন্যা, নৃত্যে অনন্যা
ঘরের টিনে, শোনো বাদ্য বিনে
বাজনা বাজিছে, বৃষ্টি নাচিছে ঐ
তা তা থইথই তা তা থইথই।
শুকনো পাতায়, নূপুর বাজায়
লিখিতেছে গান, করিতেছে স্নান
কলমিলতা, বাঁশপাতা সই
তা তা থইথই, তা তা থইথই।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
৩রা মে ২০২০। কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০
কিভাবে করা হয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ?
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ
বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলীয় বিভিন্ন দেশে এ পর্যন্ত ৬৩টি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। ৬৪তম ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। যার নাম হবে আমপান। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে নামটা এসেছে। যেমনঃ উম্পুন, আমপান, আম্ফান। তবে ৬৫তম ঘূর্ণিঝড়ের নাম কি হবে?
এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ১৬৯টি নাম চূড়ান্ত করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। এই অঞ্চলে বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার ১৩টি দেশ নামগুলো দিয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দেশগুলোর নামের ক্রমানুসারে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা তৈরী করা হয়েছে। প্রতিটি দেশ থেকে ১৩টি করে নাম নিয়ে সর্বমোট ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা তৈরী করা হয়েছে।
যা আগামী বছরগুলোতে আসন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে ব্যবহার করা হবে।
যা আগামী বছরগুলোতে আসন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে ব্যবহার করা হবে।
নতুন ঘূর্ণিঝড়ের জন্য পাঠানো ১৬৯টি নাম হলঃ
বাংলাদেশ ঃ
নিসর্গ, বিপর্যয়, অর্ণব, উপকূল, বর্ষণ, রজনী, নিশীথ, উর্মি, মেঘলা, সমীরণ, প্রতিকূল, সরোবর, মহানিশা।
ভারত ঃ
গাতি, তেজ, মুরাসু, আগ, ভায়ুম, ঝড়, প্রবাহ, নীড়, প্রভানজন, ঘূর্ণি, আমবুদ, জালাদি, ভিগার।
ইরানঃ
নিভার, হামুন, আগভান, সিপান্দ, বুরান, আনাহিতা, আজআর, পোয়ান, আরশাম, হেনজামি, সাভাস, তাহামতান, তুফান।
মালদ্বীপঃ
বুরিভি, মিদহিল, কানি, ওড়ি, কিনাউ, এন্ধেরি, রিয়াউ, গুরুভা, কুবাংগি, হোরাংগু, থানডি, ফানা।
মিয়ানমারঃ
তুয়াতি, মিগজায়ুম, নাগামান, কাজাথি, যাবাগজি, ইউয়ুম, মউইহু, কাউই, পিংকু, জিনগাউন, লিনইওনি, কাইকান, বাউপাওমান ঃ
ইয়াস, রিমাল, সাইল, নাসিম, সাদিম, মুথন, দিমা, মানজর, রুকাম, ওয়াতাদ, আল জারয, রাবাব, রাদপাকিস্তান ঃ
গুলাব, সাহাব, আসেনা, আফসান, মানাহিল, সুজানা, পারওয়ায, জান্নাতা, সারসার, বাদবান, সাররাব, গুলনার, ওয়াসেককাতার ঃ
শাহিন, ডানা, লুলু, মউজ, সুহাইল, সাদাফ, রিম, রায়হান, আনবার, ওউদ, বাহার, সাফ, ফানারসৌদি আরবঃ
জাওয়াদ, ফেনগাল, ঘাজির, আসিফ, সিদরাহ, হারিদ, ফাইদ, কাসির, নাখিল, হাবুব, বারেক, আরিম, ওয়াবিলশ্রীলঙ্কা ঃ
আসানি, শাক্তি, জিগুম, গগনা, ভারামভা, গাজানা, নিবা, নিনাদা, ভিদুলি, ওঝা, সালিথা, রিভি, রুদথাইল্যান্ড ঃ
সিতারাংগ, মনথা, থিয়ানুট, বুলান, ফুতালা, আইয়ারা, সামিংগ, কারইসন, মাতচা মাহিংসা, ফারিওয়া, আসরি, থারাআরব আমিরাত ঃ
মাদউস, সেনইয়ার, আফুর, নাহ হাম, কুফফাল, দামান, দিম, গারগুর, খুব, দিগল, আথমাদ, বুম, সাফারইয়েমেন ঃ
ব্রম, শুকরা, ফারতাক, দারসাহ, সামহাহ, বাকহুর, ঘাওয়েমি, হাউফ, বালহাফ, মোকহা, দিতওয়াহ, দিকসাম, সিরাCollected from Newspaper, Composed by Satkahon,
29 April 2020
সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০
সাত দিনের নাম (বাংলা, ইংরেজি, আরবী)
সাত দিনের নামঃ
বাংলা সাত দিনের নাম। ইংরেজি সাত দিনের নাম। আরবী সাত দিনের নাম
শনিবার। Saturday. ইয়ামুস সাবতি
রবিবার। Sunday. ইয়ামুল আহাদি
সোমবার। Monday. ইয়ামুল ইসনাইনে
মঙ্গলবার। Tuesday. ইয়ামুস সালাসায়ে
বুধবার। Wednesday. ইয়ামুল আরবায়ি
বৃহস্পতিবার। Thursday. ইয়ামুল খামীসি
শুক্রবার। Friday. ইয়ামুল জুমুয়াতি
দিক সমূহের নাম (বাংলা, ইংরেজি, আরবী)
দিক সমূহের নামঃ
বাংলা দিক সমূহের নাম। ইংরেজি দিক সমূহের নাম। আরবী দিক সমূহের নাম
উত্তর। North. আল শিমালু
দক্ষিণ। South. আল জুনুবু
পূর্ব। East. আল মাশরিকু
পশ্চিম। West. আল মাগরিবু
লেবেলসমূহ:
সাধারণ জ্ঞান
বার মাসের নাম (বাংলা, ইংরেজি, আরবী)
বার মাসের নাম :
বাংলা মাস ইংরেজি মাস আরবী মাস
বৈশাখ. January. মহররম
জৈষ্ঠ্য. February. সফর
আষাঢ় March. রবিউল আউয়াল
শ্রাবণ. April. রবিউস সানী
ভাদ্র। May. জমাদিউল আউয়াল
আশ্বিন. June. জমাদিউস সানী
কার্তিক. July. রজব
অগ্রহায়ণ. August. শাবান
পৌষ. September. রামাজান
মাঘ। October. শাওয়াল
ফাল্গুন. November. জিলক্বদ
চৈত্র. December. জিলহজ্ব
লেবেলসমূহ:
সাধারণ জ্ঞান
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০
শৈশবেই শিশুর সব
অনুমোদনের মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
সমালোচনার মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
শত্রুতার মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
বিদ্রুপের মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
কলঙ্কের মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
ধৈর্যের মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
উদ্দিপনার মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
প্রসংসার মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
নিরপেক্ষতার মাঝে শিশু বেঁচে থাকলে
সে ন্যায় পরায়ণতা শেখে।
""""""""""""""""""""""""""""""""""
Collected by Motiur
""""""""""""""""""""""""""""""""""
Collected by Motiur
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০
ইংরেজিতে ঝগড়া করতে চান?
সীমা লঙ্ঘন করিও না।
Keep your voice down
গলা নামিয়ে কথা বলো।
Keep your eyes down.
চোখ নামিয়ে কথা বলো।
Don't show your temper to me.
আমার দিকে চোখ পাকিয়ো না।
I will dip you into dirty water.
তোমাকে নোংরা পানিতে চুবিয়ে দেব।
I will teach you a good listen.
তোমাকে উচিত শিক্ষা দেব।
I will kick you out from here.
তোমাকে এখান থেকে লাথি মেরে বের করে দেব।
You scoundrel.
তুমি বদমাস।
You Hippocrates.
তুমি ভন্ড।
What a big devil!
কত বড় শয়তানের বাবা।
I will slap off your teeth.
থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফেলে দেব।
I will make you flat by beating.
পিটিয়ে সোজা করে দেব।
I will see you my foot.
তোমাকে দেখে নেব।
Keep your finger down.
আঙ্গুল নামিয়ে কথা বলো।
Mind your language.
ভাষা সংযত করো।
Hold your tongue.
মুখ সামলে কথা বলো।
Don't grow so far.
বেশি বাড় বেড়ো না।
Do you think that I am a fool.
তুমি কি মনে কর, আমি একটা বোকা।
Have you gone mad?
তুমি কি পাগল হয়ে গেছো?
এভাবে প্রাকটিস করতে থাকুন।
রমজানের সওগাত - মোঃ মতিউর রহমান।
মাহে রমজান।
কে চাও গুনাহ মাফ
পেতে পরিত্রাণ।
করো ইবাদত, নাও হে শপথ
নিষ্পাপ হবার।
সরল সোজা পথ, জেনো নবীর উম্মত
খোলা খোদার দুয়ার।
আল্লাহর রহমত,যদি পেতে চাও
করো নেক আমল,
বেশি বেশি দান।
নিষ্পাপ হবার।
সরল সোজা পথ, জেনো নবীর উম্মত
খোলা খোদার দুয়ার।
আল্লাহর রহমত,যদি পেতে চাও
করো নেক আমল,
বেশি বেশি দান।
আহলান সাহলান
মাহে রমজান।
কে চাও গুনাহ মাফ
পেতে পরিত্রাণ।
করো ইবাদত, নাও হে শপথ
ওহে গুনাহগার।
সরল সোজা পথ, জেনো নবীর উম্মত
খোলা খোদার দুয়ার।
আল্লাহর মাগফেরাত, যদি পেতে চাও
করো সেজদা, রিজিকদাতা
দিবেন অফুরান।
করো ইবাদত, নাও হে শপথ
ওহে গুনাহগার।
সরল সোজা পথ, জেনো নবীর উম্মত
খোলা খোদার দুয়ার।
আল্লাহর মাগফেরাত, যদি পেতে চাও
করো সেজদা, রিজিকদাতা
দিবেন অফুরান।
আহলান সাহলান
মাহে রমজান।
কে চাও গুনাহ মাফ
পেতে পরিত্রাণ।
করো তওবা, ওহে মুমিন হবা
জান্নাতে যাবি।
পেরুলেই পুলসিরাত, জাহান্নাম হতে নাজাত
মুক্তি পাবি।
আল্লাহর দিদার, যদি পেতে চাও
খোদার কিতাব, রাসূলের রিসালাত
মানো মনেপ্রাণ।
করো তওবা, ওহে মুমিন হবা
জান্নাতে যাবি।
পেরুলেই পুলসিরাত, জাহান্নাম হতে নাজাত
মুক্তি পাবি।
আল্লাহর দিদার, যদি পেতে চাও
খোদার কিতাব, রাসূলের রিসালাত
মানো মনেপ্রাণ।
আহলান সাহলান
মাহে রমজান।
কে চাও গুনাহ মাফ
পেতে পরিত্রাণ ।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
২০শে এপ্রিল, ২০২০ কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
২০শে এপ্রিল, ২০২০ কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০
ইংরেজি চর্চা করে, ইংরেজির দুর্বলতা দূর করি - মোঃ মতিউর রহমান।
লকডাউনে নিজেদের ইংরেজির দুর্বলতা দূর করি।
ইংরেজি চর্চা করি।
আসুন, এই লকডাউনে কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় ইংরেজি
খরচা ছাড়াই চর্চা করে জ্ঞানের গোডাউন ভরাট করার চেষ্টা করি।
ইংরেজির জাহাজ হতে না পারলেও
ইংরেজির বৈঠা ধরতে পারবেন।
ইনশাআল্লাহ!!
১ম পর্ব ঃ
It's my turn.......
(এবার আমার ....................পালা)
১) এবার আমার হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পালা।
It's my turn to live in home quarantine.
২) এবার আমার ঘুমাতে যাবার পালা।
It's my turn to go sleep.
৩) এবার আমার ইংরেজি শেখার পালা।
It's my turn to learn English.
৪) এবার আমার গরীবদের সাহায্য করার পালা।
It's my turn to help the poor.
৫) এবার আমার সচেতন হবার পালা।
It's my turn to conscious.
উপরের সূত্রের সাহায্যে আপনারা অসংখ্য বাংলা বাক্যের সাহায্য নিয়ে
ইংরেজি চর্চা করতে থাকুন।
নিজেকে ইংরেজিতে সমৃদ্ধ করুন।
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০
অমানবিক - মোঃ মতিউর রহমান।
অমানবিক
মোঃ মতিউর রহমান।
মানুষই এখন মানুষের ভয়
জনগণ সারাক্ষণ খুঁজছে সুযোগ
কেমনে দেবে ফাঁকি আইনের লোক।
ফেসবুকে হাজারো ফেস
একজোড়া কলা দিয়ে দানবীর
আত্মপ্রসাদে, খুঁজে নেয় সুখ।
একশো লোকে দেয় একবাটি খিচুড়ি
দানের গর্বে বাড়ে পেটের ভুঁড়ি।
কিছু ভিক্ষুক করছে চুরি ত্রাণের চাল।
মধ্যবিত্তদের জীবন খুবই বেসামাল।
ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধির
কি এমন দোষ।
লাঠিপেটা করে বুড়ো পেলো সন্তোষ।
ফটোফ্যাশন শুধু সবই মেকি
সমাজসেবাও নয় পূণ্য, নেকি।
মানুষ কবে যে হবে মানুষ
ইহকাল ভুলে হবে পরকালের হুশ।
"""""""""""""""""""
(ছবি গুলো অনলাইন হতে গৃহীত)
"""""""""""""""""""
(ছবি গুলো অনলাইন হতে গৃহীত)
বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০
স্যালুট - মোঃ মতিউর রহমান।
দুর্যোগ এ যুদ্ধে, করোনার বিরুদ্ধে
সম্মুখ সৈন্য, কর্তব্যপূণ্য
সেবা, ধৈর্য্য, সহিষ্ণুতা
প্রশংসার দাবিদার।
স্যালুট, হে ডাক্তার
স্যালুট
স্যালুট, হে ডাক্তার
স্যালুট
স্যালুট, হে সৈনিক
করোনা নিরসনে, দেশের সবখানে
সংক্রমণ এড়াতে, সচেতনতা বাড়াতে
চৌকস ও দক্ষ, সাহসী বক্ষ
নির্ভেজাল ও নির্ভীক।
স্যালুট, হে সৈনিক
স্যালুট।
সংক্রমণ এড়াতে, সচেতনতা বাড়াতে
চৌকস ও দক্ষ, সাহসী বক্ষ
নির্ভেজাল ও নির্ভীক।
স্যালুট, হে সৈনিক
স্যালুট।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)

















































